কুরআন অধ্যয়নের একটা অসাধারণ রোডম্যাপ: ‘ঘটনা ভিত্তিক কুরআন’
কুরআনের অনুবাদ শুরু থেকে পড়া শুরু করলে কেন হোঁচট খেতে হয়, হাল ছেড়ে দেয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে সেটার কারণ আমরা চিহ্নিত করেছিঃ কুরআনের বর্ণনা শৈলী না বোঝা।
সেটার সমাধান হিসেবে আমরা একটা কৌশলের কথা বলছি-
১) আমরা কুরআন পড়া শুরু করবো ইনশাআল্লাহ কুরআনে বর্ণিত বিভিন্ন ঘটনা দিয়ে, সূরা দিয়ে নয়। কুরআনে যেহেতু অসংখ্য ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে তাই আপাতত আমরা ফোকাস করবো নবীদের জীবন দিয়ে। ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম থেকে ঈসা আলাইহিস সালামকে তুলে নেয়া পর্যন্ত।
এইটুকু পড়া হলে ইনশাআল্লাহ কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সাথে একটা নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠবে।
২) আমরা একেকজন নবীর জীবনের যেটুকু কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোকে আমরা ছোট ছোট খণ্ডে ভাগ করে পড়বো। যেমন-
১) মুসা (আ:) এর জন্ম
২) মূসা (আ:) এর মিশর ত্যাগ
৩) মূসা (আ:) এর বিয়ে
৪) আল্লাহর সাথে মূসা (আ:)এর কথোপকথন
৫) ফিরাউনের সাথে মূসা (আ:) এর কথোপকথন
৬) যাদুকরদের সাথে মূসা (আ:) এর প্রতিযোগিতা
৭) মিশরবাসী ও বনী ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া
৮) মিশরবাসীর উপর আযাব ও তাদের প্রতিক্রিয়া
৯) ফিরাউনের পতন
ইত্যাদি . . .
এই খণ্ডিত অংশগুলো আমরা কিভাবে পড়বো?
১) আমরা ঘটনাগুলো ধারাবাহিকভাবে পড়বো ইনশাআল্লাহ।
২) কোনো ঘটনা যেসব জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো একসাথে করে পড়বো। যেমন-
মূসা (আ:) এর জন্ম– সূরা ক্বাসাস (৭-১৩ নং আয়াত),সূরা ত্বাহা (৩৮-৪০ নং আয়াত)
মূসা(আ:) এর মিশর ত্যাগ– সূরা ক্বাসাস (১৫-২২ নং আয়াত)
মূসা(আ:) এর বিয়ে– সূরা ক্বাসাস (২৩-২৮ নং আয়াত)
আল্লাহর সাথে মূসা (আ:)এর কথোপকথন– সূরা ক্বাসাস (২৯-৩৫ নং আয়াত), সূরা ত্বাহা (৯-৪৬ নং আয়াত), সূরা নামল (৭-১২ নং আয়াত)।
ইত্যাদি . . .
এইভাবে একসাথে করে কেন পড়বো?
একটি উদাহরণটা দিলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে ইনশাআল্লাহ . . .
