মুসা (আঃ) এর বিয়ে সম্পর্কিত আয়াত গুলো নিয়ে 'চিন্তার খোরাক- ৫ এর সম্ভাব্য উত্তর
সম্ভাব্য উত্তর ৫
এখান থেকে আসলে আমরা দুআ কবুলের দুটি আদব জানতে পারি। প্রথমত, প্রচণ্ড ইমোশনাল অবস্থায় দুআ করা কারণ তখন আল্লাহর সাথে আমরা ঘনিষ্ঠ একটা যোগাযোগ অনুভব করি। দ্বিতীয়ত, ইবাদতরত অবস্থায় দুআ করা। যেমন ইফতারের আগে বা সালাতে সালাম ফিরানোর আগে। এই জায়গায় আমাদের মাইন্ড সেট একটু সীমাবদ্ধ হয়ে যায়। আমরা ভাবি যে ইবাদত মানে বুঝি সালাত, সিয়াম এগুলোই কিছু। কারো উপকার করা যে আল্লাহর খুবই পছন্দনীয় কাজ এটা আমার ভুলে যাই। এখানে মুসা আলাইহিস সালাম সেটা ভুলে যান নি। উপরন্তু উনি খুব আত্মগ্লানীতে ভুগছিলেন, উনার মধ্যে একটা অপরাধবোধ কাটিয়ে ওঠার একটা প্রবণতা ছিল। আল্লাহর সাহায্য পেতে হলে আমলনামা আরকটু ভারী করতে হবে, এই চিন্তাও অমূলক না।
আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে আল্লাহর সাহায্যটা আসে কোন না কোন উছিলায়। কোনো ভাল কাজ করার পর সেটার উসীলায় দুআ করার কথা আমরা হাদীস থেকে জানতে পারি। এখানে মুসা আলাইহিস সালাম আরেকজনকে সাহায্য করার উসিলায় আল্লাহর অনুগ্রহ চেয়েছেন।
উসিলার ধারণাটা বোঝাটা খুব জরুরী। অনেকসময় আমরা যেসব দায়িত্বকে বোঝা মনে করি হয়তো সেগুলোর উসীলাতেই আমাদের রিযিক আসে। তাই যখন কঠিন সময় চলে তখন বরং যতটা সম্ভব মানুষকে সাহায্য করে সেটার উসীলায় দুআ করা উচিৎ।
আপনারা দেখেন যে ওই মহিলা গুলোর সাথে আর কোন কথা না বলে উনি কিন্তু আল্লাহর কাছে গিয়ে দোয়া চাইলেন। আর একটা জিনিস হচ্ছে কোন সময়টা ভালো, ভালো কাজ করার জন্য। এই কথাটা আমি খুব বলি এবং এতে খুব বেশি জোর দেওয়ার চেষ্টা করি। ভালো কাজ করার জন্য বা নেক আমল করার জন্য
